এক অদম্য কলামিষ্ট কবি প্রাকৃতজ শামিমরুমী টিটন

35

নিজস্ব প্রতিবেদক->>>

কবি প্রাকৃতজ শামিমরুমী টিটন বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় পরিচিত মুখ অসহায় নিপিডিত মানুষের নিবেদিত প্রাণ ।এই কবি জম্ম গ্রহন করেন ১৯৬৯ সালে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার ফতেহপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে ।তিনি কুমিল্লা জম্ম গ্রহন করে কুমিল্লা বাসীকে করেছেন ধন্য।প্রাকৃতজ শামিমরুমী টিটন কে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন উপাধি তে ভূষিত করেছেন,কেউ বা বলেন তিনি কবি,সাধক,গীতিকার, সুরকার, গায়ক, নায়ক, শিল্পী, দানবীর, তার্কিক, সু-মধুর কন্ঠের বক্তা এক কথায় তিনি বহু গুণে গুণান্বিত একটি জ্ঞানের ভান্ডার । প্রাকৃতজ শামিমরুমী টিটন, আমার মতে,সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা দেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা।প্রাকৃতজ শামীমরুমী টিটন একজন বিশিষ্ট কলামিষ্ট যার কলমের প্রতিটি খোচায় খোচায় ভয়ে আনে অনাবিল সুখ আনন্দ বিশ্বের মানচিত্রে এক খন্ড রক্তিম ভালোবাসা। তিনি একজন সাদা মাঠা এই যুগের একজন সৎ কর্মোঠো মেধাবী একজন বিজ্ঞানী। যার প্রতিটি কলমিক শক্তিতে আছে অপার সম্ভবনা ।কবি তার ভাষায় আরো বলেন,বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”জীবন হতে হবে সহজ সরল মার্জিত তাই এই কবি’কে কেউ বলে সাধক,কেউ বলেন গুরু,আবার কেউ বলেন,দার্শনিক,আমি মনে করি তিনি এই যুগের সর্বগুণে গুণী মাওলা প্রেমিক। টিটন ১৯৯৯ ইং সনের এপ্রিলে জীবন সঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করেছেন গোমতী বিধৌত সবুজাভ উপকণ্ঠে অবস্থিত প্রকৃতির অন্য এক লীলাভূমি কুমিল্লার কন্যা ইসরাত জাহান রুমাকে যাকে টিটন প্রায়শঃই স্বর্গনারী বলে অবহিত করেন। তাদের সেই যৌথ বাগানে ফুটেছে তিনটি ফুল যথাক্রমে মিথিলা জাহান মম, আলিয়ারুমি মৃদু; ও মোত্তাকি মোজেস ইনসাদ। এই নিয়ে এ স্বর্গ-পৃথিবীতে তার জীবন বয়ে যাচ্ছে প্রফুল্ল বাতাসের ছন্দে সম্মুখে। টিটন সাহেবেরা তিন ভাই তিন বোন মিলে ছয় ভাইবোন যাদের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শেষে সবাই নিজ নিজ কর্মভূমে’তে অবস্থান করেন। আমি মানুষ সদা জাগ্রত থাকি মানবতাবোধে বিত্ত , চিত্ত ও সত্যের মুক্তিতে আছেন তিনি অশুভ আর অসত্য প্রতিরোধে তিনি সবসময় সোচ্চার প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটন । কবির সকল পাঠক বক্তদের মনে প্রানের একটা দাবী এই গুনী মানুষটি কে ২০২০ একুশে পদকে ভূষিত করুক যাতে করে এই গুনী কবির উৎসাহ উদ্দিপনা আরো দিগুন বেডে যাবে । আমার বিশ্বাস তিনি তার কবির ভাষায় বলবেন, জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর ছুটে চলা।চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে,এরই মধ্যে তিনি বহু কবিতা উপন্যাস প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন, গড়েছেন অন্তরে জ্ঞানের প্রাসাদ, প্রাকৃতজ প্রাসাদ বসবাস, আমি দেখেছি অনেক অনেক জ্ঞানী গুণী আছে যত সুধী জন প্রাকৃতজ দেখেছি, সে মানবের প্রেমে মগ্ন ভাল সুন্দর দিক গুলি চর্চা করেন, এই তার মতবাদ। সুধরাতে সে সাথে সাথে কহেন স্নেহের তরে যথা তথা। তার কবির ভাষায় তিনি বলে যান,নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না’মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না। যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে” প্রবাহমান বাতাসের ছন্দেবন্দে ও তালে আমরা যেমনটি প্রাণের প্রনোদোনা খুঁজে পাই তেমনিভাবে আকাশের নীহারিকা পাতালের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বালুকণার সুবিন্যস্ত বিন্যাস আমাদের হৃদয়ে মনে মননে একপ্রকার দাগ কেটে যায়।ঠিক সেভাবেই একজন মানুষ হৃদয়ের সমস্ত আকুলতা ঢেলে দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেয় আপন মহিমায় ভাস্বর হয়ে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে দেখেছি যে মানুষটি যত প্রজ্ঞাময় তার ভেতরে বিনয়ের ভান্ডার তত সজ্জিত। কবি বলেন,নীতি আর নৈতিকতা কিম্বা নৈতিক মুল্যবোধ যথার্থই মানুষের জীবনকে সৌন্দর্য্যমন্ডিত করে তোলে। আমরা জানি, মানবিকতার সাথে নৈতিকতার বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। পরম সাধনা ছাড়া মানুষ এ বিশেষ গুন সমুহ অর্জন করতে পারে না। সততা ন্যায়পরায়ণতা আদর্শবাদিতা এসব গুনের সমন্বয়ে নৈতিকতার স্বরুপ উন্মোচিত হয়। মানুষ যতদিন সমৃদ্ধ হৃদয়ের অধিকারী হয়ে এই নৈতিক আদর্শকে সমুন্নত রাখবে ততদিন এই মনুষ্যত্বের গৌরব। আজকের বিশ্বে আর বিশ্ব মানব সংস্কৃতিতে মানব জীবনের একমাত্র লক্ষ ও সাধনার অপর নাম সর্বাংগীন সুন্দর ঋদ্ধ জীবন যেখানে থাকবে সজীবতা কর্মমুখরতা আর প্রফুল্লতা। সর্বোপরি কবির জন্য আমার এই ছোট্ট বাণী’তে বলতে চাই, রিক্ত আমি, সিক্ত আমি দেওয়ার কিছু নাই; আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই । আমি রিক্ত, প্রেমের বেদনা অশ্রুতে সিক্ত।বঞ্চিত সকল সুখ থেকে; তাই প্রেমের চিন্তা করিনা- ভালবাসা সেতো যন্ত্রনা।ভালোবাসা তো দোষের কিছু না।জীবে প্রেম করে যেই জন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর”বলেন কবি প্রাকৃতজ শামিমরুমী টিটন।