জীবনের বাকি সময় জনগনের সেবা করে যেতে চাই-চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাবর

39
জুলফিকার আলম, দাগনভূঞা :
ফেনী জেলা দাগনভূঞা থানার কৃতি সন্তান একজন সাদা মনের মানুষ ও সফল ব্যবসায়ী শাহ বেলাল বাবর জীবনের পুরোটা সময় জনপ্রতিনিধির মতোই নিজ এলাকা সিন্দুরপুর ইউনিয়নের অসহায় হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন একজন মহামানবের মতো।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লড়তে চান মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজনীতিবিদ মরহুম সুজাত আলী ভূঁইয়ার সুযোগ্য সন্তান মো: শাহ বেলাল বাবর। স্কুল জীবন থেকেই যিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। ছিলেন  সিন্দুরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ঢাকার জগন্নাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা  গ্রহণ করে শাহ বেলাল বাবার ব্যক্তিগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী গড়ে উঠেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকান্ডেও খুব সক্রিয়। সিন্দুরপুরবাসীকে ঢাকার বুকে সুসংগঠিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সিন্দুরপুর ইউনিয়ন সমিতি ঢাকা। বর্তমানে তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
 সিন্দুরপুর খাজা আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন তার পিতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মরহুম সুজাত আলী ভূইয়া। ওই অঞ্চলে তখন এটিই ছিল একমাত্র উচ্চ বিদ্যালয়।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এলাকার গৌন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উঠে পড়ে লেগেছে শাহ বেলাল বাবর কে জনপ্রতিনিধিত্ব করার জন্য এলাকার মানুষের কথা ও এলাকার  উন্নয়নের কথা চিন্তা করে রাজি হয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চাইবেন।তার সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে তিনি বলেন তার ইচ্ছে ও পরিকল্পনার কথা।স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পুরো ছাত্র জীবন রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। মানুষের পাশে থাকার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচনের মাধ্যমে জয়ী হয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব করা তাই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যাওয়ার লক্ষ্যেই নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। সমাজের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সিন্দুরপুর ইউনিয়নের জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করাই আমার অন্যতম পরিকল্পনা।কেননা আমি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।আমার মরহুম পিতা সুজাত আলী ভূইয়া ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশস্ত কর্মী হিসেবে আশা করি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন হুমায়ুন এবং ফেনী জেলা যুবলীগের সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের তিন তিন বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান দিদারুল কবীর রতন আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিলে আমি নির্বাচন করবো আর নির্বাচিত হলে কিভাবে আমার সিন্দুরপুরের উন্নয়ন করতে হয় তা আমি জনগনকে দেখিয়ে দিবো ।
আমার প্রথম লক্ষ্য হবে আধুনিক সিন্দুরপুর। জনগণের সেবক হয়ে কাজ করা।সিন্দুরপুরকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলা,রাস্তাঘাট সংস্কার, নদীর ভাঙন রোধ, গ্রাম্য আদালতকে দালাল মুক্ত করাই হবে আমার প্রধান কাজ। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রেখেই ইউনিয়নকে নতুনরূপে সাজাব। এই ইউনিয়ন অনেক বছর ধরে মাদক, সন্ত্রাস, বাল্য বিবাহসহ নানা সংকটে জর্জরিত।  এ সংকট থেকে উত্তরণের আমি নিষ্ঠার সাথে কাজ করবো। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নের বিভিন্ন সংকট চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে তা নিরসনে কাজ করব।বেকারত্ব দুরীকরনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ও বেকারদের জন্য আত্ম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। সেই লক্ষ্যে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারকে আরো আধুনিক করে ইউনিয়নের শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো। তাদের জন্য আলাদা কারিগরি প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তুলবো। আমাদের অতি নিকটেই বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠতেছে। আমার এলাকার যুবসমাজ কে যদি পড়ালেখার পাশাপাশি দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে তাদের আর কর্মসংস্থানের অভাব হবে না।
ইউনিয়ন পরিষদ হবে
জনবান্ধব পরিষদ কোন দালালের দৌরাত্ম থাকবে না সবার অধিকার নিশ্চিত করা হবে। এক কথায় পরিষদ হবে সবার।নারী নির্যাতন ও বাল্য বিবাহপ্রতিরোধ করবো,প্রতিটি গ্রামে গ্রামে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের ব্যপারে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব।মাদক নির্মূলে ও যুব সমাজ কে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করবো।যুব সমাজকে মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন সময়ে খেলা-ধুলা প্রতিযোগিতা ও বিনোদনের আয়োজন করবো।এছাড়া যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এলাকার যুব সমাজকে নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে ও মাদক ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব।আমি এই সিন্দুরপুর ইউনিয়নের সন্তান। এই প্রতিটি গ্রাম মহল্লায় আমার যাতায়ত। অতীতে ইউনিয়নবাসীর যে ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেয়েছি, আশা করি ভবিষ্যতেও এই ভালোবাসা ও সহযোগিতা অব্যহত থাকবে।জনগন সহ সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে একটি আধুনিক সিন্দুরপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারবো।সর্বপরি আমি বলতে চাই আমি যতদিন বাঁচবো ততোদিন আমি আমার সিন্দুরপুর বাসীকে সেবা দিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।