ঢাকা-১৮ আসন উপ’নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে নাজমা আক্তার

20

মাসুদ রানা->>>

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের অকাল মৃত্যুতে ঢাকা-১৮ আসনটি শূন্য হয়।গত ৯ জুলাই রাতে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।তাই শূন্য আসনটি পূর্ন করার জন্য উপনির্বাচনের দিন ধায্য করায় তার পেক্ষিতে ঢাকা-১৮ আওয়ামী লীগের সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেন সাহারা খাতুনের অতি আস্থাভাজন স্নেহধন্য নাজমা আকতার একজন প্রার্থী হয়ে তাকে মনোনয়ন দিতে সাবেক কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের ১০১ জন নেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছে। কেননা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার ১৯৬৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর টুঙ্গিপাড়ার গাড়ফা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।নাজমা আক্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশুনার পাশাপাশি জীবনের পুরোটা সময় বঙ্গঁবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী-ছাত্রলীগ এর সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৮১ সালের ছাত্রলীগের রাজনীতি’র মধ্য দিয়ে তার রাজনীতির জীবন শুরু ধাপে ধাপে বিভিন্ন থানা জেলা এবং কলেজ কমিটির ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্যর থেকে ছাত্ররাজনীতি সমাপ্তি টানেন। নাজমা আক্তার দলের জন্য ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীবান্ধব জনপ্রিয়তা,জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্তা বিশ্বাস অর্জনের জন্য যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রিয় সভাপতি নাজমা আক্তার অন্যতম।নাজমা আক্তার বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া থেকে তারপরে তাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা যুব মহিলা লীগ গঠন করার দায়িত্ব দিয়ে সারাদেশে মহিলাদেরকে নেতৃত্বে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করে যুব মহিলা লীগের সভাপতি হিসেবে তাকে নির্বাচিত করেন। সে ২০০২ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে অদ্যবধি পর্যন্ত যুব মহিলা লীগের সভাপতি দায়িত্ব পালন করে সারাদেশ তৃনমূল পর্যায়ে ঘুরে ঘুরে যুব মহিলাদেরকে রাজনীতিতে সক্রিয় করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিগত দিনগুলোতে দেশে যখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নারী নেতৃত্বের সংকট, ও দেশের নারীরা যখন গণতন্ত্র সংকটে ভুগেছে,ঠিক তখনি বঙ্গবন্ধুর একজন প্রকৃত মুজিব সৈনিক হয়ে দলের জন্য নিরলস কাজ করে গিয়েছেন।সুধু তাই নয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাকালীন সময়ে দীর্ঘ সাত বছর স্বৈরাচারী এরশাদ বিরুদ্ধি আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহন,বিএনপি জামাত জোট বিরুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহন,২০০৪ সালে বিএনপি জামাত জোট প্রদত্ত মামলায় কারা বরণ,১/১১ সরকার কর্তৃক জরুরী বিধিমালায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা আসামি হয়ে ছয় মাস পালায়ন করে থাকতে হয়ছে, আরে বর্বর নির্যাতনের ও শিকার হয়েছেন এই ত্যাগি নারী নেত্রী নাজমা আক্তার।তার পর ও তিনি রাজপথে মাথা উঁচু করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন দলকে টিকে রাখার জন্য। ঐ জন্যই দলের সুসময়ে পেয়েছেন রাজনীতির বিভিন্ন পদপদবী নাজমা আক্তার ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, টুঙ্গিপাড়া থানা শাখার ১৯৮১ও ৮২ সালে সাবেক ছাত্র কল্যাণ সম্পাদকের পদ দিয়ে তার রাজনীতির জীবন শুরু ১৯৮৩/৮৪ সালে পাবনা সরকারি মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সালে কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন।পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। নাজমা আক্তার প্রতিনিধিত্ব করেছেন নবম জাতীয় সংসদে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনীত হয়ে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১৪ মেয়াদকালে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু) এর রোকেয়া হল শাখার জিএস নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বপালন করেন।আন্দোলন-সংগ্রামে নাজমা আক্তার সব সময় প্রথম সারির সৈনিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। স্বৈরাচার বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেওয়ার কারনে সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।১৯৯১থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ও ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাষণ আমলে দেশ ও জাতির পক্ষে বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে প্রথম সারিতে ছিল।তার জন্য জেলজুলুম,মামলা হামলার স্বীকারও তাকে হতে হয়েছে।১/১১ এর সময় শেখ হাসিনার কারামুক্তি জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামী হয়েও আন্দোলন থেকে ফিছিয়ে যায়নি।শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য কৌশলে ২ লাখেরও বেশী নারীদের সাক্ষর সংগ্রহের মাধ্যমে যুব মহিলালীগকে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় করে রেখেছিল। নাজমা আক্তার মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমা দেয়ার সময় ঢাকা- ১৮ আসনের আওয়ামী লীগ যুব মহিলা লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সুধী সমাজের বিপুল সংখ্যক নারী নেত্রী ও নেতা কর্মী স্বাস্থ্য বিধি মেনে ধানমন্ডিস্থ’ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উপস্থি’ত ছিলেন।সর্বোপরি তিনি বলেন,আমার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই আমায় যদি দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা যোগ্য মনে করে দলীয় মনোনয়ন দেন,আমি আমার এলাকার প্রত্যেকটি রাস্তা,ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, পাবলিক টয়লেট, স্কুল কলেজ, মসজিদ, মন্দির সব জায়গায় সর্বোচ্চ উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো ।আমি আমার এলাকার সর্বোচ্চ উন্নয়ন নিশ্চিত করবো।